শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩১ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
উখিয়া থানা ৪ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার লাভ: পুরস্কার নিচ্ছেন ওসি আতিকুর রহমান উখিয়ায় ২ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের অগ্রাধিকার এখন আর চলচ্চিত্র নয় কেন? আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির ক্যারিয়ারের ৬টি স্মরণীয় ঘটনা আগে গোল দিয়েও মালয়েশিয়াকে হারাতে পারলো না বাংলাদেশের মেয়েরা নবম পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন চলন্ত বাসে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ফেলে দেওয়া হয় ৪০ কিলোমিটার দূরে লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে জর্ডানে পাল্টা হামলা ইরানের কক্সবাজারে বালিয়াড়ি ভরাট করে বাঁধ নির্মাণ: প্রকল্প পুনর্বিবেচনার আহ্বান টিআইবির নারীপাচারের নয়া ফাঁদ ও শিকড়ের সংকট

কটেজ জোনে ‘কউক’র ফের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু

বিশেষ প্রতিবেদক:
কক্সবাজার শহরে অবৈধভাবে নির্মাণাধীন বেশ কয়েকটি ভবন ভেঙে দিয়েছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক)। আজ মঙ্গলবার দূপুরে কক্সবাজার কটেজ জোন এলাকার গণপূর্তের সৈকত সমবায় সমিতির প্লটে এ অভিযান চালানো হয়। কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর অব নুরুল আবছারের নেতৃত্বে দুপুরে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব (উপসচিব) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু জাফর রাশেদ সহ অভিযানে কক্সবাজার জেলা পুলিশ, আনসার ব্যাটালিয়ন ও বিদ্যুৎ বিভাগ। গত এক সপ্তাহ আগেও সৈকতের কটেজ জোনে অবৈধ স্হাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছিল।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর (অব) নুরুল আবছার সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে জানান, ১৯৯৬ সালে ৭ দশমিক ৫০ একর জমি সৈকত সমবায় সমিতির নামে বরাদ্দ দেয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। তবে পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ৭ দশমিক ৫০ একরের পরিবর্তে ৫ একর জমি বরাদ্দ দিয়ে সংশোধিত বরাদ্দপত্র জারি করে।
সেসময় সৈকত সমবায় সমিতি সংশোধিত বরাদ্দপত্র মেনে নিলেও হাইকোর্টে আরো আড়াই একর জমি পাওয়ার জন্য রিট করে। পরে সিভিল রিভিউ পিটিশন দায়ের করলেও ২০১৯ সালে তা খারিজ হয়। ফলে বিতর্কিত ২ দশমিক ৫০ একর জায়গার উপর সৈকত সমিতির অধিকার না থাকায় আদালত উচ্ছেদের নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বন্ধে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অভিযান চালায়।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর মোহাম্মদ নুরুল আবছার বলেন, পরিকল্পিত পর্যটন নগরী বাস্তবায়ন, আমাদের সবার দায়িত্ব। তাই সবার প্রতি অনুরোধ, ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুসরণ করে এবং অনুমোদন নিয়ে ভবন নির্মাণ করুন। কক্সবাজারকে একটি পরিকল্পিত পর্যটন নগরী হিসেবে বাস্তবায়নে অবৈধ এবং অনুমোদনহীন স্থাপনার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION